Skip to main content

Institutional Email: Utilities and Importance | প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল: গুরুত্ব ও প্রয়োগ

An institutional email, typically provided by educational institutions, corporations, or government bodies, plays a crucial role in formal communication.

Image source : AI generated 

It serves as a standardized medium for managing correspondence, ensuring security, and maintaining professionalism. Below is a detailed breakdown of the key utilities of an institutional email:

1. Professionalism and Credibility

An institutional email address (e.g., name@institution.edu or name@company.com) lends credibility to the sender. This professional appearance is vital when communicating with external stakeholders, including prospective students, clients, or business partners. It signifies the association with a recognized entity and enhances trustworthiness, which is especially important in formal communications like job applications, project submissions, or research collaborations.

2. Security and Privacy

One of the primary utilities of institutional emails is the enhanced security they offer. These email systems are usually protected by advanced encryption protocols, secure login mechanisms, and are monitored to prevent breaches. Institutional emails often come with multi-factor authentication (MFA) and regular backups to protect sensitive information. In organizations handling research, personal data, or financial transactions, these security measures are critical for compliance with privacy laws and data protection regulations (e.g., GDPR or FERPA).

3. Centralized Communication System

Institutional emails streamline communication across different departments, ensuring that all stakeholders remain connected. In universities, for instance, faculty members, students, and administrative staff can use the email system for official announcements, coursework distribution, and administrative updates. Similarly, in corporate settings, employees use institutional emails to coordinate projects, share resources, and communicate updates, fostering a cohesive work environment.

4. Accountability and Record Keeping

Institutional email systems inherently support better accountability. Messages sent and received through institutional accounts are often logged in secure servers. This helps in maintaining an official record of communications, which can be referenced later for auditing, legal purposes, or resolving disputes. In educational settings, this utility is crucial for tracking academic progress, grievances, and policy changes.

5. Institutional Branding

Using an institutional email address reinforces the organization's brand identity. Emails sent from institutional domains are instantly recognizable, helping to establish the sender’s affiliation with the organization. This is beneficial for marketing and outreach campaigns, as well as maintaining consistent organizational branding across various communication platforms.

6. Access to Institutional Services and Resources

Many institutions integrate their email systems with other internal services. For instance, educational institutions often link email accounts with access to learning management systems (LMS), digital libraries, or research databases. Corporate institutions, on the other hand, integrate emails with project management tools, internal networks, and cloud storage services, ensuring smooth workflow and resource availability.

7. Networking and Collaboration

Institutional emails help foster collaboration among individuals within and outside the organization. For instance, students and faculty from different universities can collaborate on research projects by communicating through institutional emails. Similarly, corporate employees can use institutional email accounts to interact with clients, vendors, or partners, ensuring that professional boundaries are maintained while enabling effective networking.

8. Control and Monitoring

Institutions have control over the emails sent from their domain. This allows the organization to monitor for inappropriate use, ensure compliance with ethical guidelines, and mitigate risks of information leaks. In corporate settings, this control is essential for maintaining confidentiality, especially when dealing with proprietary information or trade secrets.

9. Spam Reduction and Filtering

Institutional emails generally have strong spam filters and firewall protections. These ensure that communications remain clean from unwanted advertisements, phishing attempts, or malware. Additionally, institutions often block untrusted senders or suspicious attachments, adding another layer of security for users.

10. Support for Academic and Professional Growth

In the academic world, institutional emails serve as a platform for students and staff to receive important information related to scholarships, internships, research opportunities, and academic events. Professors and professionals can use these emails to share and receive critical information that supports their growth, such as calls for papers, research grants, or professional certifications.

11. Dissemination of Institutional Policies and News

Institutional emails serve as the primary mode for disseminating official communications, including policy changes, safety protocols, and event notifications. This ensures that all members of the organization stay informed about critical developments, changes, or opportunities within the institution. In emergencies, institutional emails are also used for quick and reliable notifications.

12. Legal Protection

Institutional emails provide a layer of legal protection. Since all communication is logged and stored, it can be retrieved in the case of legal disputes, internal audits, or regulatory reviews. This is particularly useful for ensuring transparency in communications and safeguarding against liability.


প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল, যা সাধারণত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কর্পোরেট সংস্থা বা সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে প্রদান করা হয়, এটি আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি একটি মানসম্মত যোগাযোগ মাধ্যম হিসাবে কাজ করে, যা নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং পেশাদারিত্ব বজায় রাখে। এখানে প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইলের প্রধান কয়েকটি গুরুত্ব ও প্রয়োগের বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

১. পেশাদারিত্ব ও বিশ্বাসযোগ্যতা

প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল ঠিকানা (যেমন: name@institution.edu বা name@company.com) প্রেরকের বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি করে। এটি যখন বাহ্যিক স্টেকহোল্ডারদের সাথে যোগাযোগের জন্য ব্যবহার করা হয়, যেমন চাকরির আবেদন, গবেষণা সহযোগিতা বা প্রজেক্ট সাবমিশনের সময়, এটি একটি পেশাদারী চিত্র তুলে ধরে এবং প্রেরককে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তোলে।

২. নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা

প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল সিস্টেমগুলি সাধারণত উন্নত এনক্রিপশন প্রোটোকল দ্বারা সুরক্ষিত থাকে। এটি নিরাপদ লগইন প্রক্রিয়া এবং নিয়মিত ব্যাকআপ সেবা প্রদান করে, যা গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করে। গবেষণা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা কর্পোরেট সংস্থায় যেসব সংবেদনশীল তথ্য নিয়ে কাজ হয়, সেগুলোর জন্য এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৩. কেন্দ্রীয় যোগাযোগ ব্যবস্থা

প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল যোগাযোগ ব্যবস্থা সমন্বিত এবং সংগঠিত রাখে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং প্রশাসনিক কর্মীরা একে ব্যবহার করে অফিসিয়াল নোটিশ, ক্লাসের উপকরণ এবং প্রশাসনিক আপডেট শেয়ার করতে পারেন। কর্পোরেট ক্ষেত্রেও একইভাবে প্রজেক্ট ব্যবস্থাপনা, রিসোর্স শেয়ারিং, এবং অফিসিয়াল আপডেটের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।

৪. দায়বদ্ধতা ও রেকর্ড সংরক্ষণ

প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমস্ত মেসেজ লগ করে রাখে, যা ভবিষ্যতে রেফারেন্স হিসাবে ব্যবহার করা যায়। এটি অফিসিয়াল রেকর্ড সংরক্ষণে সাহায্য করে, যা আইনি কাজ, অডিট বা বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৫. প্রাতিষ্ঠানিক ব্র্যান্ডিং

প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল ঠিকানা ব্যবহার করে প্রেরক প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ডিং বজায় রাখতে পারে। এটি প্রতিষ্ঠানের পরিচয়কে আরও দৃঢ় করে তোলে এবং এটি মারকেটিং এবং আউটরিচ কার্যক্রমেও সহায়ক হয়।

৬. প্রাতিষ্ঠানিক সেবা ও সম্পদের অ্যাক্সেস

প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল প্রায়শই অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক পরিষেবার সাথে সংযুক্ত থাকে। যেমন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইমেইল ঠিকানা ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা ডিজিটাল লাইব্রেরি, লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা গবেষণা ডাটাবেসের অ্যাক্সেস পেতে পারেন। কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোতে, ইমেইল প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট টুল, ক্লাউড স্টোরেজ এবং অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত থাকে।

৭. নেটওয়ার্কিং ও সহযোগিতা

প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল শিক্ষার্থী, শিক্ষক, এবং পেশাদারদের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে সহায়ক হয়। এটি গবেষণা প্রকল্প, প্রফেশনাল নেটওয়ার্কিং, বা কর্পোরেট ক্লায়েন্টদের সাথে পেশাদারী যোগাযোগের একটি নিরাপদ মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।

৮. নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণ

প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল সিস্টেম প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে থাকে, যা ব্যবহারকারীদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে এবং অনৈতিক ব্যবহার বা তথ্যের অপব্যবহার রোধ করে।

৯. স্প্যাম হ্রাস ও ফিল্টারিং

প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল সাধারণত উন্নত স্প্যাম ফিল্টার এবং ফায়ারওয়াল দ্বারা সুরক্ষিত থাকে, যা ব্যবহারকারীদের স্প্যাম, ফিশিং, বা ম্যালওয়্যার থেকে রক্ষা করে।

১০. শিক্ষাগত ও পেশাগত বিকাশে সহায়তা

শিক্ষা ও গবেষণায় প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল ব্যবহার করে শিক্ষার্থী ও কর্মীরা বৃত্তি, ইন্টার্নশিপ, গবেষণার সুযোগ এবং অন্যান্য পেশাগত উন্নয়নের তথ্য পেতে পারেন।

১১. প্রাতিষ্ঠানিক নীতি ও খবর প্রচার

প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্যভাবে প্রতিষ্ঠানের নীতি, নিরাপত্তা নির্দেশিকা, এবং জরুরি তথ্য প্রচার করতে ব্যবহার করা হয়, যা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

১২. আইনি সুরক্ষা

প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল আইনি সুরক্ষা প্রদান করে। সমস্ত যোগাযোগ লগ করা থাকে, যা আইনি সমস্যা, অভ্যন্তরীণ অডিট বা নিয়ন্ত্রক পর্যালোচনার জন্য সহায়ক হতে পারে।

Popular posts

টেট্রোফোবিয়া

টেট্রোফোবিয়া (টেট্রা থেকে, "চার" এর গ্রীক) কোয়াড্রোফোবিয়া নামেও পরিচিত (কোয়াটিউওর থেকে, "চার" এর লাতিন)যা  চার নম্বরের ভয় কে নির্দেশ করে।  এটি মূলত চীন, ভিয়েতনাম, কোরিয়া এবং জাপানের মতো এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশ প্রচলিত আছে। সাংহাইয়ের একটি আবাসিক অ্যাপার্টমেন্ট ভবনের একটি লিফট কন্ট্রোল প্যানেলে ৪, ১৩ এবং ১৪ বাদ রয়েছে।  ম্যান্ডারিন চাইনিজে "চার" এবং "মৃত্যু" র অনুরূপ উচ্চারণের কারণে চার অনুপস্থিত।  ত্রিশকেডকফোবিয়ার কারণে ১৩ তলা বাদ। চৌদ্দ সংখ্যাটিতে চার উপস্থিত থাকার কারণে এটিও বাদ আছে।  টেট্রাফোবিয়া (প্রাচীন গ্রীক (টেট্রিস) থেকে, যার অর্থ 'ফোর', এবং প্রাচীন গ্রীক φόβος (ফিবোস), যার অর্থ 'ভয়'),  চার সংখ্যাটির উদাহরণ এড়ানোর অনুশীলন যা পূর্ব এশীয় দেশগুলির মধ্যে একটি অন্ধবিশ্বাস। ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় বেশ কয়েকটি আকাশচুম্বী বিল্ডিং চতুর্থ এবং চৌদ্দ  তম তলা ছেড়ে গেছে, বিশেষত সেগুলি যা চীনা বংশধরদের দ্বারা অর্থায়িত ; উদাহরণস্বরূপ প্লাজা সেমঙ্গগীতে, চতুর্থ তলটি থ্রি এ দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়েছে।  এনার্জি টাওয়ারে, ৩৯ তলা...

আর্যরা কি সত্যিই বহিরাগত? পর্ব - ১/৫

          আর্য সম্পর্কে প্রচলিত মতবাদ     পর্ব – ১ / ৫ : প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী আর্য জনগোষ্ঠী   হলো ককেসিয় পার্বত্য অঞ্চল থেকে আসা গৌরবর্ণ , উন্নত নাক , নীল চোখের মানুষ যারা খ্রী : পূ : ১৫০০ শতকে ভারতবর্ষে আক্রমণ করে । তারা ঘোড়ার ব্যবহার জানতো , ঘোড়ায় টানা রথ তাদের প্রধান যোগাযোগের ব্যবস্থা ছিল । তারা লোহার ব্যবহার জানতো এবং একইসঙ্গে তারা বেদ নিয়ে অখন্ড ভারতবর্ষে প্রবেশ করেছিল আর সংস্কৃত তাদের ভাষা ছিল । আর্যদের আক্রমণে হরপ্পা মহেঞ্জোদারোর উন্নত নগর সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যায় । কারণ হরপ্পা সভ্যতার মানুষ তাম্র ও ব্রোঞ্জের ব্যবহার জানলেও লোহার ব্যবহার জানতো না । হরপ্পা সভ্যতার মানুষের গায়ের রঙ কালো ছিল । এরা আর্যদের কাছে পরাজিত হয়ে বিন্ধ্য পর্বত পেরিয়ে দাক্ষিণাত্যে চলে যায় ও কালক্রমে এদের থেকেই দ্রাবিড় জনজাতির উৎপত্তি হয় । বলা হয়ে থাকে যে , আর্যরা ইউরোপ থেকে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়ে । এক অংশ ইরান বা পারস্যে যায় , একটি অংশ পশ্চিম ই...

Astraphobia: An Abnormal Fear

বজ্রপাতের সময় এমন ব্যক্তির সন্ধান খুব কমই মিলবে যারা নিরাপদ স্থানে থাকা সত্ত্বেও একদম নির্ভীক মনোভাব পোষণ করেন। অ্যাস্ট্রাফোবিয়া শব্দটি গ্রীক শব্দ ἀστραπή (অ্যাস্ট্র্যাপ; বজ্রপাত) এবং φόβος (ফোবস; ভয়) নিয়ে গঠিত।মূলত,বজ্রপাত এবং মেঘগর্জনের প্রতি চরম ভয়ই হচ্ছে অ্যাস্ট্রোফোবিয়া। এটি অ্যাস্ট্রাপোফোবিয়া, ব্রন্টোফোবিয়া, কেরনোফোবিয়া বা টোনিট্রোফোবিয়া নামেও পরিচিত। এটি সমস্ত বয়সের মানুষকে প্রভাবিত করলেও, বয়স্কদের তুলনায় বাচ্চাদের মধ্যে এটা বেশি দেখা যায় ।এই ফোবিয়ায় আক্রান্ত মানুষের জন্য, এই অনুভূতিগুলি অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠতে পারে এবং নিজেকে দুর্গম বলে মনে হয়।আবার এটি প্রাণীদের মধ্যেও পরিলক্ষিত হয়। কোনো একজন অ্যাস্ট্রাফোবিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে তার একটি খুবই প্রচলিত তবে অপ্রমাণিত লক্ষণ হলো,তাঁরা আবহাওয়ার পূর্বাভাসের প্রতি খুব বেশি মনোযোগী।   খুব চরম ক্ষেত্রে, অ্যাস্ট্রোফোবিয়া অ্যাগ্রোফোবিয়ার দিকে পরিচালিত করতে পারে। লোকেরা যখন মেঘগর্জন এবং বজ্রপাতের সাথে জড়িত আঘাতজনিত কোনো অভিজ্ঞতা অর্জন করে বা কোনো ব্যক্তি কে এই জন্য আঘাত পেতে দেখে থাকে পূর্বে তখন তারা অ্যাস্ট...

ভেনুস্ট্রাফোবিয়া | Venustraphobia

  Venustraphobia / Caligynephobia: The Fear of Beautiful Women তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি... কিন্তু প্রায় অনেক ক্ষেত্রেই চেয়ে থাকার পরবর্তী ধাপ অর্থাৎ কথা বলতে যেয়ে আমরা নিজের মধ্যেই প্রতিকূল অবস্থার সম্মুখীন হই। এটা স্বাভাবিক তবে বিষয় টা কি প্রতিনিয়ত ঘটছে বা জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রেও কি আমরা এটার অনুভব করছি??? যখন কোনো ব্যক্তির অযৌক্তিক ভয়  তাদের সারাদিনের কাজ করার সামর্থ্য কে প্রভাবিত করে, তখন মানসিক স্বাস্থ্যবিদ এবং পেশাদার চিকিৎসক রা এটাকে  "ফোবিয়া" বলে অভিহিত করেন। বাস্তবে, মাত্র কয়েকটি  ভয় রয়েছে যা ফোবিয়া গঠন করে এবং সেগুলি সাধারণত এমন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত যা একজন ব্যক্তি তাদের দৈনন্দিন জীবনে  সম্মুখীন হতে পারে বা  হয়।  ভেনুস্ট্রাফোবিয়া এমন একটি পরিভাষা যা প্রকৃত তথ্য এবং গবেষণার তুলনায় হাস্যরসের থেকে বেশি আসে বলে মনে হয়।  ভেনুস্ট্রাফোবিয়া দুটি গ্রীক শব্দের সমন্বয়ে গঠিত।  ভেনাস যা  দেবীকে প্রতিনিধিত্ব করে এবং ফোবস যার অর্থ গভীর ঘৃণা বা ভয়। ভেনুস্ট্রাফোবিয়ার কারণ: • জেনেটিক ইনহ্যারিটেন্স   •পর্যবেক্ষণ এবং শিক্ষ...

ডেসিডোফোবিয়া (Decidophobia)

ডেসিডোফোবিয়াকে "সিদ্ধান্ত নেওয়ার অযৌক্তিক ভয়" হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।  এর চরম আকারে, যাদের এই ভয় রয়েছে তারা কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ভেবেও আতঙ্কের সম্মুখীন হতে পারে। এই আতঙ্কের ফলে আপনার হার্ট রেট এবং শ্বাস প্রশ্বাস দ্রুত হয়, রক্তচাপ বেড়ে যায়, ঘাম হয়, পেশীগুলির উত্তেজনা এবং কাঁপতে থাকে। ডেসিডোফোবিয়ার লক্ষণসমূহ:  •উদ্বেগ  •প্যানিক   •পেশী টান এবং অতিরিক্ত ঘাম  •সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য অন্যের উপর নির্ভরতা   •সিদ্ধান্ত নেওয়ায় আশেপাশের উদ্বেগ সহ্য করার অক্ষমতা এই অনুভূতিগুলি এড়াতে, ডেসিডোফোবিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা এমন পরিস্থিতিতে থাকতে পারে যেখানে তাদের সিদ্ধান্ত নিতে না হয়।  তবে এটি সমস্যাজনক হয়ে উঠতে পারে, বিশেষত আপনি যদি শিক্ষার্থী হন তবে আপনার মেজর, আপনার পছন্দসই স্কুল, আপনার সময়সূচী এবং আরও অনেক কিছুর মতো সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আপনি যদি ডেসিডোফোবিয়ায় ভুগছেন বা এমন কাউকে চেনেন তবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভয় বা কিছু ভুল করার ভয়কে কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করার জন্য এখানে কিছু পদ্ধতি রয়েছে: •কার্যক্ষম সিদ্ধান্ত নিন •সিদ্ধান্তের সংখ্যা...

Chia Seeds/চিয়া বীজ

আসলে চিয়া বীজ হলো মিন্ট প্রজাতির বীজ যা আকারে অনেকটা ছোট ও সাদা,ধূসর,বাদামি আর কালো রঙের হয়ে থাকে।প্রধানত মেক্সিকোতে পাওয়া যায়,এটি স্হানীয় "সালভিয়া হিস্পানিকা" গাছ থেকে এটি পাওয়া গিয়ে থাকে।  চিয়া বীজের মধ্যে প্রোটিন,ফাইবার, ফ্যাট,ওমেগা-3 জাতীয় তত্ত্ব থাকে যা আমাদের শরীরকে সুস্হ রাখতে সহায়তা করে। একটি উদাহরণ হিসেবে আমরা যদি ২৮ গ্রাম চিয়া বীজের কথা বলে থাকি তাহলে তা থেকে আমরা পাবো মোট ১৩৭ ক্যালরি শক্তি এবং কার্বোহাইড্রেট-৩গ্রাম প্রোটিন-৪গ্রাম ফ্যাট-৬গ্রাম ফাইবার-৬গ্রাম ম্যাঙ্গানিজ-৬মিলিগ্রাম ফসফরাস-২৬৫মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম-১৭৭মিলিগ্রাম জিঙ্ক-১মিলিগ্রাম তামা-১মিলিগ্রাম পটাশিয়াম-৮মিলিগ্রাম এবং প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিড; যেমন-আলফা লিনোলেনিক এবং লিনোলেনিক এসিড আর ভিটামিন:A,B,E এবং D ওমেগা-3: চিয়া বীজে ওমেগা-3 প্রচুর মাত্রায় থাকে সাথে এর মধ্যে ওমেগা-  3 অয়েল অনেক পরিমাণে থাকে।ওমেগা- 3 অয়েল আমাদের শরীরের কোলেস্টেরল  কে কম রাখতে বিশেষ সহায়তা করে।চিয়া বীজ যদি আপনি রোজ নিতে থাকেন তাহলে শরীরে বর্তমান কোলেস্ট...

Economist's Think: Recommended Reads

 What to read to understand how economists think!   Image source : wikiHow There are many books that can give you a good introduction to how economists think. Here are a few recommendations: "Thinking, Fast and Slow" by Daniel Kahneman - This book isn't specifically about economics, but it is a great introduction to how people think and make decisions, which is at the heart of much of economics. "The Armchair Economist" by Steven E. Landsburg - This book uses real-world examples to explain basic economic concepts and how economists approach problem-solving. "Naked Economics: Undressing the Dismal Science" by Charles Wheelan - This book provides an engaging overview of the key principles and debates in economics, without getting too technical. "The Wealth of Nations" by Adam Smith - This classic text is a foundational work in economics and provides insights into the thinking of early economists. "Freakonomics: A Rogue Economist Explores t...

সারগাসো সাগর: একমাত্র স্থলসীমা ছাড়া সাগর

সারগাসো সাগর (/ sɑːrˈɡæsoʊ /) আটলান্টিক মহাসাগরের একটি অঞ্চল যা চারটি স্রোত দ্বারা বেষ্টিত একটি মহাসাগর গঠন করে।  সমুদ্র নামে পরিচিত সমস্ত অঞ্চলের মতো এটির কোনও স্থল সীমানা নেই। এটি 20 ° N এবং 35 ° N প্যারালাল  এবং মেরিডিয়ান 30 ° W এবং 70 °  W  সিস্টেমের অভ্যন্তরে অবস্থিত, যার মধ্যে উপসাগরীয় স্ট্রিম (মেক্সিকো উপসাগর থেকে জারি করা) পশ্চিমাঞ্চলের অংশ গঠন করে  রিম।  সমুদ্র ৫০০০-২৩০০০ ফুট (১৫০০-৭০০০ মিটার) গভীরতায় পৌঁছে এবং এটি একটি জৈবিক মরুভূমি তৈরির জন্য তাপ মিশ্রণের অভাবের সাথে মিলিত দুর্বল স্রোত, কম বৃষ্টিপাত, উচ্চ বাষ্পীভবন, হালকা বাতাস এবং উষ্ণ, লবণাক্ত জলের দ্বারা চিহ্নিত হয়। বারমুডা দ্বীপপুঞ্জ ঘেরা সারগাসো সাগরটি প্রথম উল্লেখ করেছিলেন ক্রিস্টোফার কলম্বাস, যিনি ১৪৯৯ সালে প্রথম যাত্রা পথে এটি অতিক্রম করেছিলেন। সারগাসো সাগর হলো সমুদ্রের বিশাল এক প্যাচ যা সারগাসুম নামক মুক্ত-ভাসমান সি উইডের  জেনাসের জন্য নামকরণ করা হয়।  যদিও সারা পৃথিবীতে বিভিন্ন ধরণের শৈবাল সমুদ্রের মধ্যে ভাসমান পাওয়া যায়, সারগাসো সাগরটি স্বতন্ত্র যে এটি 'হোল...

Ambidexterity: A Gift or Curse?

আমাদের মধ্যে অনেকেই ডানহাতি আবার অনেকেই বাঁহাতি আছেন।তবে এই দুই প্রকার ছাড়াও আরোও এক প্রকারের ব্যক্তি পাওয়া যায়, যাঁরা অ্যাম্বিডেক্সট্রস নামে পরিচিত। অ্যাম্বিডেক্সট্রস শব্দটি লাতিন "অম্বি" থেকে এসেছে, যার অর্থ উভয় এবং "ডেক্সটার" যার অর্থ ডান(পাশ) বা অনুকূল।  সুতরাং,অ্যাম্বিডেক্সট্রাসের আক্ষরিক অর্থে উভয় ডান বা উভয় অনুকূল।অবশ্য ইংরেজিতে অ্যাম্বেডেক্সটার শব্দটি মূলত তাদের জন্য  ব্যবহার করা হয়েছিলো যারা রায় দেওয়ার জন্য উভয় পক্ষের ঘুষ গ্রহণ করেছিল। মূলত,ডান এবং বাম হাত উভয়কেই সমানভাবে ব্যবহার করার দক্ষতাই হলো অ্যাম্বিডেক্সটারিটি।কেবলমাত্র এক শতাংশ মানুষ স্বাভাবিকভাবেই এ শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত। দ্যা ডেইলি টেলিগ্রাফ অনুসারে, অ্যাম্বিডেক্সট্রস শিশুরা মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা এবং অন্যান্য  অসুবিধাগুলির বেশি ভুক্তভোগী হয়। এই সংবাদটি ৮,০০০ শিশুদের উপর চালিত একটি গবেষণার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে যে আট এবং ষোলে বছর বয়সে কীভাবে হাতের আধিপত্য আচরণ, ভাষার দক্ষতা এবং স্কুলের পারফরম্যান্সের সাথে যুক্ত ছিলো যা ডেইলি টেলিগ্রাফ, দ্যা টাইমস, দ্যা গার্ডিয়ান এবং বিব...

আর্যরা কি সত্যিই বহিরাগত? পর্ব - ২/৫

আর্যরা বহিরাগত : একটি পরিকল্পিত ইউরোপীয় তত্ত্ব   পর্ব – ২ / ৫ : আর্যরা বহিরাগত আক্রমণকারী এই তত্ত্ব মূলত Abbe Dubois এবং Max Muller এর লেখায় বহুল প্রচলিত হয় । Abbe Dubois এর লেখা ফ্রেঞ্চ বই এর ইংরেজি অনুবাদ Hindu Manners Customs And Ceremonies (1897) এই বইতে তিনি আরব ও মিশরের মানুষদের ভারতে আসার পরিবর্তে ককেসিয় অঞ্চলের মানুষদের অখন্ড ভারতবর্ষে আগমনের সপক্ষে বলেন । ষোড়শ শতাব্দীতে ফ্লোরেন্সের এক ব্যবসায়ী Filippo Susseti প্রথম সংস্কৃত ও ইউরোপীয় প্রধান ভাষার সাথে মিল খুঁজে পান । পরে ১৭৮৬ সালে বেঙ্গল এশিয়াটিক সোসাইটিতে স্যার উইলিয়াম জোন্স এই তত্ত্বকে সমর্থন করেন । পরবর্তী কালে ভাষাতত্ত্ববিদ ম্যাক্স মুলার এই তত্ত্বকে আরো এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যান । তার Lecture On The Science Of Languages এ এই তত্ত্বকে আরো প্রামাণ্য করে তোলেন এই বলে যে সংস্কৃত , পারসি , গ্রীক , ল্যাটিন , জার্মান , গথিক ও সেলটি ক এই সাতটি ভাষাকে ইন্ডো আর্য ভাষা বলা হয় এদের মধ্যে ভাষাগত মিলের জন্য । এদের ‘ প্রোটো ই...