Skip to main content

Unraveling the Mystery of Near-Death Experiences: A Glimpse into the Brain Activity of Dying People

Near-death experiences (NDEs) have long been a subject of fascination and debate among scientists, medical professionals, and the general public. These profound experiences, often described as a sense of detachment from the body, feelings of peace, and encounters with deceased loved ones, have been reported by individuals who have come close to death or experienced clinical death. A recent study published in the journal Frontiers in Aging Neuroscience sheds new light on the brain activity of dying people, providing valuable insights into the phenomenon of NDEs.

Image source: Scientific American

The Study: Brain Activity in Dying Patients

The groundbreaking research, led by a team of scientists from the University of Liège in Belgium, involved monitoring the brain activity of 16 terminally ill patients in their final moments of life. The researchers used electroencephalography (EEG) to record the patients' brain activity, focusing on the dying process and the moments immediately following clinical death.

Signs of Near-Death Experiences

The study revealed that the brain activity of dying patients showed signs consistent with NDEs. In particular, the researchers observed a surge in high-frequency gamma waves, which are associated with consciousness, awareness, and cognitive processing. This increase in gamma wave activity occurred in the moments leading up to clinical death and persisted for several minutes after the heart stopped beating.

Additionally, the researchers found that the dying brain exhibited patterns of connectivity similar to those observed during deep meditation and REM sleep. These findings suggest that the brain may enter a unique state of consciousness during the dying process, potentially giving rise to the vivid and transformative experiences reported by NDE survivors.

Implications and Future Research

The results of this study offer valuable insights into the neurological basis of near-death experiences, challenging the notion that NDEs are merely hallucinations or the result of oxygen deprivation. By demonstrating that the dying brain exhibits specific patterns of activity and connectivity, the research provides a foundation for further exploration into the nature of consciousness and the human experience of death.

Future studies may build upon these findings by investigating the relationship between brain activity and the subjective experiences of NDE survivors. Additionally, researchers may explore the potential therapeutic applications of this knowledge, such as developing interventions to alleviate the fear of death and improve end-of-life care.

The study of near-death experiences and the brain activity of dying people is a rapidly evolving field, with the potential to transform our understanding of consciousness, death, and the human experience. As researchers continue to unravel the mysteries of NDEs, we may gain valuable insights into the nature of our existence and the profound experiences that lie at the threshold of life and death.


Article source: NewScientist

Popular posts

টেট্রোফোবিয়া

টেট্রোফোবিয়া (টেট্রা থেকে, "চার" এর গ্রীক) কোয়াড্রোফোবিয়া নামেও পরিচিত (কোয়াটিউওর থেকে, "চার" এর লাতিন)যা  চার নম্বরের ভয় কে নির্দেশ করে।  এটি মূলত চীন, ভিয়েতনাম, কোরিয়া এবং জাপানের মতো এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশ প্রচলিত আছে। সাংহাইয়ের একটি আবাসিক অ্যাপার্টমেন্ট ভবনের একটি লিফট কন্ট্রোল প্যানেলে ৪, ১৩ এবং ১৪ বাদ রয়েছে।  ম্যান্ডারিন চাইনিজে "চার" এবং "মৃত্যু" র অনুরূপ উচ্চারণের কারণে চার অনুপস্থিত।  ত্রিশকেডকফোবিয়ার কারণে ১৩ তলা বাদ। চৌদ্দ সংখ্যাটিতে চার উপস্থিত থাকার কারণে এটিও বাদ আছে।  টেট্রাফোবিয়া (প্রাচীন গ্রীক (টেট্রিস) থেকে, যার অর্থ 'ফোর', এবং প্রাচীন গ্রীক φόβος (ফিবোস), যার অর্থ 'ভয়'),  চার সংখ্যাটির উদাহরণ এড়ানোর অনুশীলন যা পূর্ব এশীয় দেশগুলির মধ্যে একটি অন্ধবিশ্বাস। ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় বেশ কয়েকটি আকাশচুম্বী বিল্ডিং চতুর্থ এবং চৌদ্দ  তম তলা ছেড়ে গেছে, বিশেষত সেগুলি যা চীনা বংশধরদের দ্বারা অর্থায়িত ; উদাহরণস্বরূপ প্লাজা সেমঙ্গগীতে, চতুর্থ তলটি থ্রি এ দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়েছে।  এনার্জি টাওয়ারে, ৩৯ তলা...

আর্যরা কি সত্যিই বহিরাগত? পর্ব - ১/৫

          আর্য সম্পর্কে প্রচলিত মতবাদ     পর্ব – ১ / ৫ : প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী আর্য জনগোষ্ঠী   হলো ককেসিয় পার্বত্য অঞ্চল থেকে আসা গৌরবর্ণ , উন্নত নাক , নীল চোখের মানুষ যারা খ্রী : পূ : ১৫০০ শতকে ভারতবর্ষে আক্রমণ করে । তারা ঘোড়ার ব্যবহার জানতো , ঘোড়ায় টানা রথ তাদের প্রধান যোগাযোগের ব্যবস্থা ছিল । তারা লোহার ব্যবহার জানতো এবং একইসঙ্গে তারা বেদ নিয়ে অখন্ড ভারতবর্ষে প্রবেশ করেছিল আর সংস্কৃত তাদের ভাষা ছিল । আর্যদের আক্রমণে হরপ্পা মহেঞ্জোদারোর উন্নত নগর সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যায় । কারণ হরপ্পা সভ্যতার মানুষ তাম্র ও ব্রোঞ্জের ব্যবহার জানলেও লোহার ব্যবহার জানতো না । হরপ্পা সভ্যতার মানুষের গায়ের রঙ কালো ছিল । এরা আর্যদের কাছে পরাজিত হয়ে বিন্ধ্য পর্বত পেরিয়ে দাক্ষিণাত্যে চলে যায় ও কালক্রমে এদের থেকেই দ্রাবিড় জনজাতির উৎপত্তি হয় । বলা হয়ে থাকে যে , আর্যরা ইউরোপ থেকে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে পড়ে । এক অংশ ইরান বা পারস্যে যায় , একটি অংশ পশ্চিম ই...

Astraphobia: An Abnormal Fear

বজ্রপাতের সময় এমন ব্যক্তির সন্ধান খুব কমই মিলবে যারা নিরাপদ স্থানে থাকা সত্ত্বেও একদম নির্ভীক মনোভাব পোষণ করেন। অ্যাস্ট্রাফোবিয়া শব্দটি গ্রীক শব্দ ἀστραπή (অ্যাস্ট্র্যাপ; বজ্রপাত) এবং φόβος (ফোবস; ভয়) নিয়ে গঠিত।মূলত,বজ্রপাত এবং মেঘগর্জনের প্রতি চরম ভয়ই হচ্ছে অ্যাস্ট্রোফোবিয়া। এটি অ্যাস্ট্রাপোফোবিয়া, ব্রন্টোফোবিয়া, কেরনোফোবিয়া বা টোনিট্রোফোবিয়া নামেও পরিচিত। এটি সমস্ত বয়সের মানুষকে প্রভাবিত করলেও, বয়স্কদের তুলনায় বাচ্চাদের মধ্যে এটা বেশি দেখা যায় ।এই ফোবিয়ায় আক্রান্ত মানুষের জন্য, এই অনুভূতিগুলি অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠতে পারে এবং নিজেকে দুর্গম বলে মনে হয়।আবার এটি প্রাণীদের মধ্যেও পরিলক্ষিত হয়। কোনো একজন অ্যাস্ট্রাফোবিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে তার একটি খুবই প্রচলিত তবে অপ্রমাণিত লক্ষণ হলো,তাঁরা আবহাওয়ার পূর্বাভাসের প্রতি খুব বেশি মনোযোগী।   খুব চরম ক্ষেত্রে, অ্যাস্ট্রোফোবিয়া অ্যাগ্রোফোবিয়ার দিকে পরিচালিত করতে পারে। লোকেরা যখন মেঘগর্জন এবং বজ্রপাতের সাথে জড়িত আঘাতজনিত কোনো অভিজ্ঞতা অর্জন করে বা কোনো ব্যক্তি কে এই জন্য আঘাত পেতে দেখে থাকে পূর্বে তখন তারা অ্যাস্ট...

ভেনুস্ট্রাফোবিয়া | Venustraphobia

  Venustraphobia / Caligynephobia: The Fear of Beautiful Women তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি... কিন্তু প্রায় অনেক ক্ষেত্রেই চেয়ে থাকার পরবর্তী ধাপ অর্থাৎ কথা বলতে যেয়ে আমরা নিজের মধ্যেই প্রতিকূল অবস্থার সম্মুখীন হই। এটা স্বাভাবিক তবে বিষয় টা কি প্রতিনিয়ত ঘটছে বা জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রেও কি আমরা এটার অনুভব করছি??? যখন কোনো ব্যক্তির অযৌক্তিক ভয়  তাদের সারাদিনের কাজ করার সামর্থ্য কে প্রভাবিত করে, তখন মানসিক স্বাস্থ্যবিদ এবং পেশাদার চিকিৎসক রা এটাকে  "ফোবিয়া" বলে অভিহিত করেন। বাস্তবে, মাত্র কয়েকটি  ভয় রয়েছে যা ফোবিয়া গঠন করে এবং সেগুলি সাধারণত এমন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত যা একজন ব্যক্তি তাদের দৈনন্দিন জীবনে  সম্মুখীন হতে পারে বা  হয়।  ভেনুস্ট্রাফোবিয়া এমন একটি পরিভাষা যা প্রকৃত তথ্য এবং গবেষণার তুলনায় হাস্যরসের থেকে বেশি আসে বলে মনে হয়।  ভেনুস্ট্রাফোবিয়া দুটি গ্রীক শব্দের সমন্বয়ে গঠিত।  ভেনাস যা  দেবীকে প্রতিনিধিত্ব করে এবং ফোবস যার অর্থ গভীর ঘৃণা বা ভয়। ভেনুস্ট্রাফোবিয়ার কারণ: • জেনেটিক ইনহ্যারিটেন্স   •পর্যবেক্ষণ এবং শিক্ষ...

ডেসিডোফোবিয়া (Decidophobia)

ডেসিডোফোবিয়াকে "সিদ্ধান্ত নেওয়ার অযৌক্তিক ভয়" হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।  এর চরম আকারে, যাদের এই ভয় রয়েছে তারা কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ভেবেও আতঙ্কের সম্মুখীন হতে পারে। এই আতঙ্কের ফলে আপনার হার্ট রেট এবং শ্বাস প্রশ্বাস দ্রুত হয়, রক্তচাপ বেড়ে যায়, ঘাম হয়, পেশীগুলির উত্তেজনা এবং কাঁপতে থাকে। ডেসিডোফোবিয়ার লক্ষণসমূহ:  •উদ্বেগ  •প্যানিক   •পেশী টান এবং অতিরিক্ত ঘাম  •সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য অন্যের উপর নির্ভরতা   •সিদ্ধান্ত নেওয়ায় আশেপাশের উদ্বেগ সহ্য করার অক্ষমতা এই অনুভূতিগুলি এড়াতে, ডেসিডোফোবিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা এমন পরিস্থিতিতে থাকতে পারে যেখানে তাদের সিদ্ধান্ত নিতে না হয়।  তবে এটি সমস্যাজনক হয়ে উঠতে পারে, বিশেষত আপনি যদি শিক্ষার্থী হন তবে আপনার মেজর, আপনার পছন্দসই স্কুল, আপনার সময়সূচী এবং আরও অনেক কিছুর মতো সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আপনি যদি ডেসিডোফোবিয়ায় ভুগছেন বা এমন কাউকে চেনেন তবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভয় বা কিছু ভুল করার ভয়কে কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করার জন্য এখানে কিছু পদ্ধতি রয়েছে: •কার্যক্ষম সিদ্ধান্ত নিন •সিদ্ধান্তের সংখ্যা...

Chia Seeds/চিয়া বীজ

আসলে চিয়া বীজ হলো মিন্ট প্রজাতির বীজ যা আকারে অনেকটা ছোট ও সাদা,ধূসর,বাদামি আর কালো রঙের হয়ে থাকে।প্রধানত মেক্সিকোতে পাওয়া যায়,এটি স্হানীয় "সালভিয়া হিস্পানিকা" গাছ থেকে এটি পাওয়া গিয়ে থাকে।  চিয়া বীজের মধ্যে প্রোটিন,ফাইবার, ফ্যাট,ওমেগা-3 জাতীয় তত্ত্ব থাকে যা আমাদের শরীরকে সুস্হ রাখতে সহায়তা করে। একটি উদাহরণ হিসেবে আমরা যদি ২৮ গ্রাম চিয়া বীজের কথা বলে থাকি তাহলে তা থেকে আমরা পাবো মোট ১৩৭ ক্যালরি শক্তি এবং কার্বোহাইড্রেট-৩গ্রাম প্রোটিন-৪গ্রাম ফ্যাট-৬গ্রাম ফাইবার-৬গ্রাম ম্যাঙ্গানিজ-৬মিলিগ্রাম ফসফরাস-২৬৫মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম-১৭৭মিলিগ্রাম জিঙ্ক-১মিলিগ্রাম তামা-১মিলিগ্রাম পটাশিয়াম-৮মিলিগ্রাম এবং প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিড; যেমন-আলফা লিনোলেনিক এবং লিনোলেনিক এসিড আর ভিটামিন:A,B,E এবং D ওমেগা-3: চিয়া বীজে ওমেগা-3 প্রচুর মাত্রায় থাকে সাথে এর মধ্যে ওমেগা-  3 অয়েল অনেক পরিমাণে থাকে।ওমেগা- 3 অয়েল আমাদের শরীরের কোলেস্টেরল  কে কম রাখতে বিশেষ সহায়তা করে।চিয়া বীজ যদি আপনি রোজ নিতে থাকেন তাহলে শরীরে বর্তমান কোলেস্ট...

Economist's Think: Recommended Reads

 What to read to understand how economists think!   Image source : wikiHow There are many books that can give you a good introduction to how economists think. Here are a few recommendations: "Thinking, Fast and Slow" by Daniel Kahneman - This book isn't specifically about economics, but it is a great introduction to how people think and make decisions, which is at the heart of much of economics. "The Armchair Economist" by Steven E. Landsburg - This book uses real-world examples to explain basic economic concepts and how economists approach problem-solving. "Naked Economics: Undressing the Dismal Science" by Charles Wheelan - This book provides an engaging overview of the key principles and debates in economics, without getting too technical. "The Wealth of Nations" by Adam Smith - This classic text is a foundational work in economics and provides insights into the thinking of early economists. "Freakonomics: A Rogue Economist Explores t...

সারগাসো সাগর: একমাত্র স্থলসীমা ছাড়া সাগর

সারগাসো সাগর (/ sɑːrˈɡæsoʊ /) আটলান্টিক মহাসাগরের একটি অঞ্চল যা চারটি স্রোত দ্বারা বেষ্টিত একটি মহাসাগর গঠন করে।  সমুদ্র নামে পরিচিত সমস্ত অঞ্চলের মতো এটির কোনও স্থল সীমানা নেই। এটি 20 ° N এবং 35 ° N প্যারালাল  এবং মেরিডিয়ান 30 ° W এবং 70 °  W  সিস্টেমের অভ্যন্তরে অবস্থিত, যার মধ্যে উপসাগরীয় স্ট্রিম (মেক্সিকো উপসাগর থেকে জারি করা) পশ্চিমাঞ্চলের অংশ গঠন করে  রিম।  সমুদ্র ৫০০০-২৩০০০ ফুট (১৫০০-৭০০০ মিটার) গভীরতায় পৌঁছে এবং এটি একটি জৈবিক মরুভূমি তৈরির জন্য তাপ মিশ্রণের অভাবের সাথে মিলিত দুর্বল স্রোত, কম বৃষ্টিপাত, উচ্চ বাষ্পীভবন, হালকা বাতাস এবং উষ্ণ, লবণাক্ত জলের দ্বারা চিহ্নিত হয়। বারমুডা দ্বীপপুঞ্জ ঘেরা সারগাসো সাগরটি প্রথম উল্লেখ করেছিলেন ক্রিস্টোফার কলম্বাস, যিনি ১৪৯৯ সালে প্রথম যাত্রা পথে এটি অতিক্রম করেছিলেন। সারগাসো সাগর হলো সমুদ্রের বিশাল এক প্যাচ যা সারগাসুম নামক মুক্ত-ভাসমান সি উইডের  জেনাসের জন্য নামকরণ করা হয়।  যদিও সারা পৃথিবীতে বিভিন্ন ধরণের শৈবাল সমুদ্রের মধ্যে ভাসমান পাওয়া যায়, সারগাসো সাগরটি স্বতন্ত্র যে এটি 'হোল...

Ambidexterity: A Gift or Curse?

আমাদের মধ্যে অনেকেই ডানহাতি আবার অনেকেই বাঁহাতি আছেন।তবে এই দুই প্রকার ছাড়াও আরোও এক প্রকারের ব্যক্তি পাওয়া যায়, যাঁরা অ্যাম্বিডেক্সট্রস নামে পরিচিত। অ্যাম্বিডেক্সট্রস শব্দটি লাতিন "অম্বি" থেকে এসেছে, যার অর্থ উভয় এবং "ডেক্সটার" যার অর্থ ডান(পাশ) বা অনুকূল।  সুতরাং,অ্যাম্বিডেক্সট্রাসের আক্ষরিক অর্থে উভয় ডান বা উভয় অনুকূল।অবশ্য ইংরেজিতে অ্যাম্বেডেক্সটার শব্দটি মূলত তাদের জন্য  ব্যবহার করা হয়েছিলো যারা রায় দেওয়ার জন্য উভয় পক্ষের ঘুষ গ্রহণ করেছিল। মূলত,ডান এবং বাম হাত উভয়কেই সমানভাবে ব্যবহার করার দক্ষতাই হলো অ্যাম্বিডেক্সটারিটি।কেবলমাত্র এক শতাংশ মানুষ স্বাভাবিকভাবেই এ শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত। দ্যা ডেইলি টেলিগ্রাফ অনুসারে, অ্যাম্বিডেক্সট্রস শিশুরা মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা এবং অন্যান্য  অসুবিধাগুলির বেশি ভুক্তভোগী হয়। এই সংবাদটি ৮,০০০ শিশুদের উপর চালিত একটি গবেষণার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে যে আট এবং ষোলে বছর বয়সে কীভাবে হাতের আধিপত্য আচরণ, ভাষার দক্ষতা এবং স্কুলের পারফরম্যান্সের সাথে যুক্ত ছিলো যা ডেইলি টেলিগ্রাফ, দ্যা টাইমস, দ্যা গার্ডিয়ান এবং বিব...

আর্যরা কি সত্যিই বহিরাগত? পর্ব - ২/৫

আর্যরা বহিরাগত : একটি পরিকল্পিত ইউরোপীয় তত্ত্ব   পর্ব – ২ / ৫ : আর্যরা বহিরাগত আক্রমণকারী এই তত্ত্ব মূলত Abbe Dubois এবং Max Muller এর লেখায় বহুল প্রচলিত হয় । Abbe Dubois এর লেখা ফ্রেঞ্চ বই এর ইংরেজি অনুবাদ Hindu Manners Customs And Ceremonies (1897) এই বইতে তিনি আরব ও মিশরের মানুষদের ভারতে আসার পরিবর্তে ককেসিয় অঞ্চলের মানুষদের অখন্ড ভারতবর্ষে আগমনের সপক্ষে বলেন । ষোড়শ শতাব্দীতে ফ্লোরেন্সের এক ব্যবসায়ী Filippo Susseti প্রথম সংস্কৃত ও ইউরোপীয় প্রধান ভাষার সাথে মিল খুঁজে পান । পরে ১৭৮৬ সালে বেঙ্গল এশিয়াটিক সোসাইটিতে স্যার উইলিয়াম জোন্স এই তত্ত্বকে সমর্থন করেন । পরবর্তী কালে ভাষাতত্ত্ববিদ ম্যাক্স মুলার এই তত্ত্বকে আরো এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যান । তার Lecture On The Science Of Languages এ এই তত্ত্বকে আরো প্রামাণ্য করে তোলেন এই বলে যে সংস্কৃত , পারসি , গ্রীক , ল্যাটিন , জার্মান , গথিক ও সেলটি ক এই সাতটি ভাষাকে ইন্ডো আর্য ভাষা বলা হয় এদের মধ্যে ভাষাগত মিলের জন্য । এদের ‘ প্রোটো ই...